দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির হত্যা মামলার তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তাদের ছেলে মাহির সরওয়ার মেঘ।
বুধবার (৩ জুন) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মামলার বাদী রুনির ভাই নওশের আলী রোমান এবং আইনজীবী শিশির মনিরও উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে মেঘ বলেন, আমাদেরকে অনেকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, কিন্তু আমরা কোনো উত্তর দিতে পারি না। আমরা জানিই না কী চলছে।
বাদীপক্ষের সদস্য নওশের আলী রোমান বলেন, “মানুষ বলে বিচার হবে না। বিচারহীনতার ভোগান্তি যারা পার করছে, তারাই শুধু এটা বুঝতে পারে।”
অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, ঘটনার সময় তদন্তে যুক্ত থাকা র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের অনেককেই বর্তমান তদন্তকারী কর্মকর্তা খুঁজে পাচ্ছেন না। তিনি আরও বলেন, তদন্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলের দারোয়ানসহ বিভিন্নজনের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।
আইনজীবী শিশির মনির জানান, মামলার অগ্রগতি প্রতিবেদন চেয়ে রোববার একটি আবেদন করা হবে।
এর আগে ২৬ এপ্রিল মামলাটির তদন্তে গঠিত টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দেয় হাইকোর্ট। ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট র্যাবকে তদন্ত থেকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। পরে চার সদস্যের ওই টাস্কফোর্স গঠন করা হয়।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। পরদিন সকালে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পরদিনই নিহত রুনির ভাই নওশের আলী রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে তদন্ত বিভিন্ন সংস্থার হাত বদল হয়ে র্যাবের কাছে যায়। তবে দীর্ঘ সময়েও কোনো চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়নি।
জে আই